মুক্তেশ্বরী নদী
মুক্তেশ্বরী নদীতে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার
অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে জমি বিক্রি করেছিলেন যশোরের কেশবপুরের রঞ্জন মন্ডল (৬০)। তাঁর একমাত্র ছেলে থাকেন ভারতে। ছেলের বিয়ের জন্য ভালো পাত্রী পাওয়া গেছে—এমন কথা বলে পরিচিত পল্লী চিকিৎসকের চেম্বারে ডেকে নেওয়া হয় তাঁকে। পরে অসুস্থতার কথা বলে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা করা হয়। এরপর স্বর্ণের চেইন ও আংটি ছিনিয়ে নিয়ে বস্তাবন্দি লাশ ফেলে দেওয়া হয় মুক্তেশ্বরী নদীতে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক মিঠুন ধরকে (৩২) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাঁকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে আব্দুল হান্নান গাজী (৬৪) নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।